“আল আমানাহ সেভিংস ইনস্টিটিউশন” একটি আধুনিক, গবেষণা-ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি বৈষম্য হ্রাসকারী ও আদর্শ সমাজ গঠন করা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সুবিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য বাসস্থান, বিশ্বমানের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের মাধ্যমেই আগামীর সমৃদ্ধি গড়া সম্ভব।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে, ৪ জন স্বপ্নদর্শী উদ্যোক্তার হাত ধরে কুমিল্লা, বাংলাদেশ থেকে আমাদের এই আমানতের পথচলা শুরু হয়। যা এখন ১০০-এরও অধিক সদস্যের এক শক্তিশালী পরিবারে পরিণত হয়েছে।
আমাদের এই পরিবার এখন সারা দেশব্যাপী সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে। আল আমানাহ শুধুমাত্র সঞ্চয়ভিত্তিক নীতিতে পরিচালিত হয় এবং কোনো ধরনের ঋণ বা সুদ (রিবা) বিহীন ব্যবসায় বিনিয়োগ করবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে লাভজনক জমি ক্রয়/বিক্রয় ব্যবসায় মূলধন বিনিয়োগের মাধ্যমে হালাল মুনাফা অর্জন।
বাংলাদেশে একটি সদস্যভিত্তিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল-সমর্থিত ক্রমবর্ধমান গ্রোসারি রিটেইল স্টোর চেইন তৈরি করা, যা খুচরা বাজারের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।
সুদমুক্ত, নৈতিক ও লাভজনক অন্যান্য ব্যবসায় মূলধন বিনিয়োগ। ট্রাস্টেড অপারেশন, যেখানে রিস্ক কমিয়ে আপনার ইনভেস্টমেন্ট থাকবে সেফ ও সিকিউরড।
আমাদের প্রযুক্তি ও মানবিকতার সমন্বয়ে একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন এর পরিকল্পনা আছে । এর মাধ্যমে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই সুলভে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সেবা ও দক্ষ সহায়তা পাবেন, যা উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে। সুস্থ জাতি গঠনে আল আমানাহ আপনার পাশে।
দেশের সর্বত্র সবুজায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এই প্রকল্প এর চিন্তা করা হবে। বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। এটি আমাদের প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশের অঙ্গীকার। আল আমানাহ-এর সাথে গড়ে তুলুন সবুজ পৃথিবী।
আমাদের দেশের প্রধান শহরগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের চেইন রেস্টুরেন্ট স্থাপন এর পরিকল্পনা আছে । এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সুলভ মূল্যে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাবার পাবেন। এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিনোদন ও খাদ্যাভ্যাসে আধুনিকতা আনবে। আল আমানাহ-এর সাথে উপভোগ করুন মানসম্মত খাবার।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা কৌশলগত স্থানে আধুনিক বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স তৈরি করব। এই স্থাপনাগুলো নতুন ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু হবে, যা সমাজের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আল আমানাহ-এর সাথে উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের পথে।
আধুনিক প্রযুক্তি ও টেকসই পদ্ধতির ব্যবহারে আমরা লাভজনক খামার প্রকল্প গ্রহণ করব। এই উদ্যোগ খাদ্য উৎপাদনে অবদান রাখার পাশাপাশি সদস্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে বেগবান করবে। নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য আল আমানাহ-এর টেকসই উদ্যোগের অংশ হোন।
এক বিশাল কর্মদক্ষ গোষ্ঠী তৈরি করা, যেখানে নারী ও যুবক উভয়ই থাকবেন অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন ও স্বাবলম্বী। বেকারত্ব দূরীকরণে সরাসরি আমরা বদ্ধপরিকর। নারী ও যুব সমাজের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন ধরনের কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করব। যেন প্রতিটি ব্যক্তি নিজের ব্যবসায় বা চাকুরীতে প্রবেশের সুযোগ পায় ।
আল আমানাহ সঞ্চয়ী প্রতিষ্ঠান আপনার সঞ্চয়কে শুধুমাত্র বৃদ্ধিই করে না, বরং এটিকে একটি মহৎ ও নৈতিক উদ্যোগে যুক্ত করে।
Our 24/7 Emergency Phone Services
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
এটি একটি আধুনিক, গবেষণা-ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা। মূল লক্ষ্য হলো সদস্যদের সঞ্চয়কে হালাল বিনিয়োগে ব্যবহার করে ২০৩০ সালের মধ্যে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাসহ একটি বৈষম্য হ্রাসকারী আধুনিক সমাজ গঠন করা।
না, কখনোই না। আমরা দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ যে আল আমানাহ কোনো প্রকার সুদ (রিবা) বা ঋণের ব্যবসায় বিনিয়োগ করবে না। আমরা ১০০% হালাল ও এথিক্যাল আয়ের নিশ্চয়তা দেই।
জমাকৃত সঞ্চয় বর্তমানে জমির উন্নয়ন, ক্রয়/বিক্রয় এবং অন্যান্য সুদমুক্ত লাভজনক ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। এই মূলধনই ভিশন ২০৩০-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প (হাউজিং, হাসপাতাল ইত্যাদি) বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। একজন ব্যক্তি বা পরিবার সর্বোচ্চ তিনটি (৩) শেয়ার ক্রয় করতে পারবে।
আমরা আগামী দুই (২) বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০০টি শেয়ার বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। তবে, প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিধি, গতি এবং সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী এই লক্ষ্যমাত্রায় পরিবর্তন আসতে পারে।
এই কৌশলগত মূলধন বৃদ্ধিই আমাদের ২০৩০ সালের হাউজিং, স্বাস্থ্যসেবা ও বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সহায়ক হবে
ontent
প্রতিটি শেয়ারের মাসিক সঞ্চয় ৳২৫০০। এছাড়া এককালীন ভর্তি ফি ৳২০০ এবং মাসিক পরিচালন খরচ ৳২০ প্রযোজ্য।
প্রধান প্রকল্পগুলো হলো: আধুনিক হাউজিং সোসাইটি, বিশ্বমানের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আধুনিক খামার প্রকল্প এবং বাণিজ্যিক স্থাপনা উন্নয়ন।
বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত হালাল মুনাফা/লভ্যাংশ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী শেয়ার মালিক ও বিনিয়োগকারীদের মাঝে সুষ্ঠু ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।
আমাদের মূলধন বৃদ্ধির পর জানুয়ারি ২০২৬ সাল থেকে পেশাদারভাবে বাণিজ্যিক বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
টাকা উত্তোলন করতে চাইলে সদস্যকে কমপক্ষে ৬০ (ষাট) দিন পূর্বে লিখিতভাবে প্রতিষ্ঠানকে জানাতে হবে। মূলধন (Principal Amount) ফেরত পাওয়া যাবে, তবে কোনো লভ্যাংশ বা মুনাফা ফেরতযোগ্য থাকবে না।
আবাসন সমাধানের জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্প ও বৃদ্ধাশ্রম প্রকল্প গ্রহণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সদস্যদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করা।
















Kuchaitoli, Medical College Road, Cumilla – 3500