কুমিল্লা থেকে সারা দেশে: আধুনিক হাউজিং, বিশ্বমানের শিক্ষা ও চিকিৎসার এক নতুন দিগন্ত।
আল আমানাহ সঞ্চয়ী প্রতিষ্ঠান একটি আধুনিক, গবেষণা-ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা, যার মূল লক্ষ্য হলো একটি আধুনিক, ন্যায়ানুগ ও বৈষম্য হ্রাসকারী সমাজ গঠন। আমরা মানুষের সঞ্চয়কে সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে হালাল বিনিয়োগে ব্যবহার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আল আমানাহ সঞ্চয়ী প্রতিষ্ঠান – একটি বিশ্বাস, ন্যায় ও হালাল বিনিয়োগের প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি, সঞ্চয় কেবল আর্থিক উন্নয়নই নয়, বরং সামাজিক ও নৈতিক কল্যাণও নিশ্চিত করতে পারে। আল আমানাহর প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালিত হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং মানবকল্যাণের উদ্দেশ্যে।
আমাদের লক্ষ্য হলো সদস্যদের সঞ্চয়কে নিরাপদ, ফলপ্রসূ এবং হালাল আয় নিশ্চিত করার উপযোগী বিনিয়োগে রূপান্তর করা। আমরা রিবা (সুদের) মুক্ত, ১০০% হালাল ও এথিক্যাল আয়ের নিশ্চয়তা দেই। কম ঝুঁকিতে টেকসই ও আকর্ষণীয় রিটার্নের সুযোগের মাধ্যমে আমরা আপনার ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করি। আমরা বিশ্বাস করি, বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য বাসস্থান, বিশ্বমানের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর সমৃদ্ধি গড়া সম্ভব।
জুলাই ২০২৫ সালে কুমিল্লা থেকে শুরু হওয়া আমাদের এই পথচলা এখন সারা দেশব্যাপী সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে। আল আমানাহ সদস্যভিত্তিক আর্থিক সংগঠন হিসেবে ন্যায়, সততা এবং হালাল নীতির আলোকে পরিচালিত হয়। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মাধ্যমে আগামীর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব।
আল আমানাহ সঞ্চয়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সম্পূর্ণ আধুনিক হাউজিং সোসাইটি উন্নয়ন করা। এই সোসাইটিতে থাকবে:
এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটি সমাজের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত করতে নিম্নলিখিত বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলোতেও কাজ করে যাচ্ছে:
Our 24/7 Emergency Phone Services
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
এটি একটি আধুনিক, গবেষণা-ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা। মূল লক্ষ্য হলো সদস্যদের সঞ্চয়কে হালাল বিনিয়োগে ব্যবহার করে ২০৩০ সালের মধ্যে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাসহ একটি বৈষম্য হ্রাসকারী আধুনিক সমাজ গঠন করা।
না, কখনোই না। আমরা দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ যে আল আমানাহ কোনো প্রকার সুদ (রিবা) বা ঋণের ব্যবসায় বিনিয়োগ করবে না। আমরা ১০০% হালাল ও এথিক্যাল আয়ের নিশ্চয়তা দেই।
জমাকৃত সঞ্চয় বর্তমানে জমির উন্নয়ন, ক্রয়/বিক্রয় এবং অন্যান্য সুদমুক্ত লাভজনক ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। এই মূলধনই ভিশন ২০৩০-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প (হাউজিং, হাসপাতাল ইত্যাদি) বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। একজন ব্যক্তি বা পরিবার সর্বোচ্চ তিনটি (৩) শেয়ার ক্রয় করতে পারবে।
আমরা আগামী দুই (২) বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০০টি শেয়ার বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। তবে, প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিধি, গতি এবং সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী এই লক্ষ্যমাত্রায় পরিবর্তন আসতে পারে।
এই কৌশলগত মূলধন বৃদ্ধিই আমাদের ২০৩০ সালের হাউজিং, স্বাস্থ্যসেবা ও বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সহায়ক হবে
ontent
প্রতিটি শেয়ারের মাসিক সঞ্চয় ৳২৫০০। এছাড়া এককালীন ভর্তি ফি ৳২০০ এবং মাসিক পরিচালন খরচ ৳২০ প্রযোজ্য।
প্রধান প্রকল্পগুলো হলো: আধুনিক হাউজিং সোসাইটি, বিশ্বমানের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আধুনিক খামার প্রকল্প এবং বাণিজ্যিক স্থাপনা উন্নয়ন।
বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত হালাল মুনাফা/লভ্যাংশ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী শেয়ার মালিক ও বিনিয়োগকারীদের মাঝে সুষ্ঠু ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।
আমাদের মূলধন বৃদ্ধির পর জানুয়ারি ২০২৬ সাল থেকে পেশাদারভাবে বাণিজ্যিক বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
টাকা উত্তোলন করতে চাইলে সদস্যকে কমপক্ষে ৬০ (ষাট) দিন পূর্বে লিখিতভাবে প্রতিষ্ঠানকে জানাতে হবে। মূলধন (Principal Amount) ফেরত পাওয়া যাবে, তবে কোনো লভ্যাংশ বা মুনাফা ফেরতযোগ্য থাকবে না।
আবাসন সমাধানের জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্প ও বৃদ্ধাশ্রম প্রকল্প গ্রহণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সদস্যদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করা।
Kuchaitoli, Medical College Road, Cumilla – 3500